Book Appointment Now

এটা মূলত প্রমাণ করে আপনি সত্যিকারের শিক্ষার্থী কিনা এবং আপনার লক্ষ্য সত্যিই পড়াশোনা কি না।
নিচে সহজ ভাষায় সবকিছু বুঝিয়ে দেওয়া হলো—
—
GS মানে হলো:
* আপনি সত্যিই পড়াশোনা করতে চান
* আপনার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড, ইংরেজি দক্ষতা ও আর্থিক সামর্থ্য যথেষ্ট
* আপনার উদ্দেশ্য পরিষ্কার — ভিসা নিয়ে অন্য পথে যাওয়ার প্ল্যান নেই
এটা অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষাব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য রাখতে সাহায্য করে।
—
আপনার আগের পড়াশোনার সাথে নতুন কোর্সের মিল আছে কি না, ফলাফল কেমন ইত্যাদি।
IELTS / PTE / TOEFL স্কোর — বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যূনতম স্কোর পূরণ করতে হবে।
আমাদের দেশের (বাংলাদেশি) স্টুডেন্টদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
প্রমাণ দিতে হবে — টিউশন ফি, থাকা-খাওয়া, ট্রাভেল খরচ এক বছরের জন্য বহন করার সামর্থ্য আছে।
আপনি কেন এই কোর্স করতে চান?
ক্যারিয়ার গোল কী?
স্টাডি গ্যাপ থাকলে পরিষ্কার কারণ দিতে হবে।
বাংলাদেশে আপনার পরিবার, সম্পদ, কাজ বা অন্য বন্ধন আছে কিনা —
যা দেখায় আপনি পড়াশোনা শেষে দেশে ফিরে আসবেন বা বৈধ পথেই এগোবেন।
—
* SSC/HSC/ Bachelor/Master – সব একাডেমিক সার্টিফিকেট
* ইংরেজি টেস্ট স্কোর
* ব্যাংক স্টেটমেন্ট
* স্পনসরশিপ লেটার / পরিবারের আয়ের প্রমাণ
* Sponsor-এর চাকরি/ব্যবসার বৈধ কাগজ
* ITR / প্রপার্টির দলিল / ভাড়ার আয়ের কাগজ
* SOP (Statement of Purpose)
* পরিবার–সম্পর্কিত ডকুমেন্ট
—
✓ অসম্পূর্ণ তথ্য
✓ ভুল/ফ্রড ডকুমেন্ট
✓ আর্থিক প্রমাণ যাচাই করা যায় না
✓ স্টাডি গ্যাপের কারণ না দেখানো
✓ কোর্স বারবার পরিবর্তন
✓ SOP-এ জেনেরিক বা AI-generated উত্তর
—
এজেন্ট আপনাকে গাইড করবে, কিন্তু—
✘ GS form আপনার হয়ে লিখতে পারে না
✘ টেমপ্লেট দিতে পারে না
✘ AI-generated উত্তর দিতে পারে না
সব উত্তর নিজের ভাষায়, ইংরেজিতে, সর্বোচ্চ ১৫০ শব্দে লিখতে হবে।
—
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য গৃহীত প্রমাণ:
✓ টিউশন + লিভিং কস্ট + ট্রাভেল — ১২ মাসের খরচ
✓ Scholarship Evidence
✓ সর্বোচ্চ ৩ জন স্পনসর (শুধু Immediate family)
✓ Bank Loan (৮০% পর্যন্ত) + collateral proof
✓ Sponsor-এর Income proof, Bank Statement (১২ মাস)
✓ Business Proof + চলমান লেনদেনের স্টেটমেন্ট
✓ Rental income proof
✓ Property ownership
সব প্রমাণ ভেরিফাই করা যায় এমন হতে হবে।
—
* কোর্স তুলনা (BD vs Australia)
* বিশ্ববিদ্যালয় তুলনা
* ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কোন জব পাওয়া যায় তার প্রমাণ
* পরিবারিক পরিচয় / family tree
* Achievement / awards
* Volunteering / community work
* Housing cost research (Screenshot)
* Skill demand proof
* ফ্রড ডকুমেন্ট
* ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট
* জেনেরিক SOP
* AI-generated উত্তর
* কনফ্লিক্টিং তথ্য
—
তাহলে দ্রুত জমা দিতে হবে:
* Study gap explanation
* Visa refusal explanation
* Valid financial proof
* কেন বাংলাদেশে না পড়ে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন, তার যুক্তি
চাইলে এজেন্ট আপনার ফাইল সাজাতে সাহায্য করতে পারে।
—
* একসাথে আবেদন করা উত্তম
* বাড়তি ফান্ড দেখাতে হবে
* ১ বছরের কম বিবাহ হলে অতিরিক্ত যাচাই হতে পারে
—
অস্ট্রেলিয়ার GS requirement কড়া — কিন্তু *Genuine স্টুডেন্ট হলে ভিসা পাওয়া কঠিন নয়*।
কিন্তু ডকুমেন্ট যত শক্তিশালী হবে, ভিসার চ্যান্স তত বেশি।
গুরুত্বপূর্ণ ৩ বিষয় মনে রাখুন:
✓ সঠিক Course Match
✓ পরিষ্কার ও নিজের লেখা SOP
