Book Appointment Now
Table of Contents
বিদেশে পড়াশোনা করার ১ বছর আগে যেসকল প্রস্তুতি নেয়া প্রয়োজন…
ডকুমেন্ট যাচাই ও সংশোধন
জন্মসনদ, এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স/মাস্টার্স সার্টিফিকেটে নিজের ও পিতামাতার নামের বানান ভোটার আইডি, জন্মসনদ ও সার্টিফিকেটে মিলিয়ে নিন।যদি কোনো ভুল থাকে, সংশোধন অবশ্যই ১ বছর আগেই শুরু করুন, কারণ এটি সময়সাপেক্ষ।
পাসপোর্ট প্রস্তুত
পাসপোর্টে নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা সবকিছু জন্মসনদ ও সার্টিফিকেটের সাথে মিলিয়ে তৈরি করুন।পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে তা নবায়ন করুন এবং তথ্য হালনাগাদ করুন।
একাডেমিক সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট সংগ্রহ
এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স/মাস্টার্সের মূল সার্টিফিকেট ও নম্বরপত্র বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করুন।দুই সেট ফটোকপি নোটারি পাবলিক দিয়ে সত্যায়িত করুন।
মন্ত্রণালয় সত্যায়ন (যদি দরকার হয়)
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একাডেমিক কাগজপত্র এটেস্টেশন করিয়ে রাখুন।কিছু দেশে ভেরিফিকেশন ছাড়া আবেদন গ্রহণ করে না।
ইংরেজি পরীক্ষার প্রস্তুতি (IELTS/TOEFL)
আইইএলটিএস/টফেল পরীক্ষার প্রস্তুতি কমপক্ষে ৬-৯ মাস আগে শুরু করুন।কাঙ্খিত স্কোর (যেমন 6.5+/7.0+) পেতে প্রয়োজনে কোচিং বা প্রাইভেট টিউটর নিন।
স্ট্যান্ডার্ড টেস্ট (SAT, GRE, GMAT) প্রস্তুতি
SAT/ACT: আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের জন্য।GRE/GMAT: মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য প্রয়োজন হতে পারে।সময়মতো প্রস্তুতি নিয়ে স্কোর নিশ্চিত করুন।
রিকমেন্ডেশন লেটার (LOR)
যেসব শিক্ষক বা সুপারভাইজার আপনাকে ভালো জানেন, তাদের কাছ থেকে ২-৩টি রিকমেন্ডেশন লেটার আগেই সংগ্রহ করুন।অফিসিয়াল প্যাডে সাইন ও স্ট্যাম্পসহ লেখা থাকতে হবে।
স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (SOP) লেখার প্রস্তুতি
SOP লেখা শুরু করুন কমপক্ষে ৬ মাস আগে।নিজের একাডেমিক পটভূমি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কেন ঐ দেশ/বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিয়েছেন এসব পরিষ্কারভাবে লিখুন।একাধিক ড্রাফট বানিয়ে সিনিয়র, মেন্টর বা কনসালট্যান্ট দিয়ে রিভিউ করিয়ে নিন।
সাবজেক্ট ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন
আপনার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড ও আগ্রহের সাথে মিলে এমন ৫-১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কোর্স বেছে নিন।প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন রিকয়ারমেন্ট, স্কলারশিপ অপশন ও আবেদন ডেডলাইন ভালোভাবে রিসার্চ করুন।
ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং ও বাজেটিং
পড়াশোনার খরচ (টিউশন ফি, অ্যাকমোডেশন, জীবনযাপন) ও ভিসা প্রসেসিং খরচ মিলিয়ে বাজেট তৈরি করুন।ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রস্তুত রাখুন (ভিসার জন্য প্রয়োজন)স্পন্সর থাকলে, তার নির্ভরযোগ্যতা ও ব্যাংক ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স
দেশে ড্রাইভিং শিখে ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখুন।চাইলে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং পারমিট (IDP) সংগ্রহ করতে পারেন।
কম্পিউটার স্কিল ডেভেলপমেন্ট
Microsoft Word, Excel, PowerPoint, Google Docs, Zoom ইত্যাদিতে দক্ষতা অর্জন করুন।
চাইলে কোর্স করে সার্টিফিকেট নিয়ে রাখুন।প্রেজেন্টেশন, এসাইনমেন্ট ও গ্রুপ ওয়ার্কে এসব খুব কাজে লাগবে।




