☎️ Request a Callback
×

বিদেশে পড়াশোনা করার ১ বছর আগে যেসকল প্রস্তুতি নেয়া প্রয়োজন…

Table of Contents

বিদেশে পড়াশোনা করার ১ বছর আগে যেসকল প্রস্তুতি নেয়া প্রয়োজন…

🔎 ডকুমেন্ট যাচাই ও সংশোধন

জন্মসনদ, এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স/মাস্টার্স সার্টিফিকেটে নিজের ও পিতামাতার নামের বানান ভোটার আইডি, জন্মসনদ ও সার্টিফিকেটে মিলিয়ে নিন।যদি কোনো ভুল থাকে, সংশোধন অবশ্যই ১ বছর আগেই শুরু করুন, কারণ এটি সময়সাপেক্ষ।

📘 পাসপোর্ট প্রস্তুত

পাসপোর্টে নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা সবকিছু জন্মসনদ ও সার্টিফিকেটের সাথে মিলিয়ে তৈরি করুন।পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে তা নবায়ন করুন এবং তথ্য হালনাগাদ করুন।

📄 একাডেমিক সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট সংগ্রহ

এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স/মাস্টার্সের মূল সার্টিফিকেট ও নম্বরপত্র বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করুন।দুই সেট ফটোকপি নোটারি পাবলিক দিয়ে সত্যায়িত করুন।

🏛️  মন্ত্রণালয় সত্যায়ন (যদি দরকার হয়)

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একাডেমিক কাগজপত্র এটেস্টেশন করিয়ে রাখুন।কিছু দেশে ভেরিফিকেশন ছাড়া আবেদন গ্রহণ করে না।

📚 ইংরেজি পরীক্ষার প্রস্তুতি (IELTS/TOEFL)

আইইএলটিএস/টফেল পরীক্ষার প্রস্তুতি কমপক্ষে ৬-৯ মাস আগে শুরু করুন।কাঙ্খিত স্কোর (যেমন 6.5+/7.0+) পেতে প্রয়োজনে কোচিং বা প্রাইভেট টিউটর নিন।

🎓 স্ট্যান্ডার্ড টেস্ট (SAT, GRE, GMAT) প্রস্তুতি

SAT/ACT: আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের জন্য।GRE/GMAT: মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য প্রয়োজন হতে পারে।সময়মতো প্রস্তুতি নিয়ে স্কোর নিশ্চিত করুন।

🗒️ রিকমেন্ডেশন লেটার (LOR)

যেসব শিক্ষক বা সুপারভাইজার আপনাকে ভালো জানেন, তাদের কাছ থেকে ২-৩টি রিকমেন্ডেশন লেটার আগেই সংগ্রহ করুন।অফিসিয়াল প্যাডে সাইন ও স্ট্যাম্পসহ লেখা থাকতে হবে।

📝 স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (SOP) লেখার প্রস্তুতি

SOP লেখা শুরু করুন কমপক্ষে ৬ মাস আগে।নিজের একাডেমিক পটভূমি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কেন ঐ দেশ/বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিয়েছেন এসব পরিষ্কারভাবে লিখুন।একাধিক ড্রাফট বানিয়ে সিনিয়র, মেন্টর বা কনসালট্যান্ট দিয়ে রিভিউ করিয়ে নিন।

🎯 সাবজেক্ট ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন

আপনার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড ও আগ্রহের সাথে মিলে এমন ৫-১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কোর্স বেছে নিন।প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন রিকয়ারমেন্ট, স্কলারশিপ অপশন ও আবেদন ডেডলাইন ভালোভাবে রিসার্চ করুন।

💸 ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং ও বাজেটিং

পড়াশোনার খরচ (টিউশন ফি, অ্যাকমোডেশন, জীবনযাপন) ও ভিসা প্রসেসিং খরচ মিলিয়ে বাজেট তৈরি করুন।ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রস্তুত রাখুন (ভিসার জন্য প্রয়োজন)স্পন্সর থাকলে, তার নির্ভরযোগ্যতা ও ব্যাংক ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখুন।

🚘 ড্রাইভিং লাইসেন্স

দেশে ড্রাইভিং শিখে ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখুন।চাইলে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং পারমিট (IDP) সংগ্রহ করতে পারেন।

💻 কম্পিউটার স্কিল ডেভেলপমেন্ট

Microsoft Word, Excel, PowerPoint, Google Docs, Zoom ইত্যাদিতে দক্ষতা অর্জন করুন।

চাইলে কোর্স করে সার্টিফিকেট নিয়ে রাখুন।প্রেজেন্টেশন, এসাইনমেন্ট ও গ্রুপ ওয়ার্কে এসব খুব কাজে লাগবে।

Share this :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Latest Post

অস্ট্রেলিয়ান সরকার প্রতি বছর স্টুডেন্ট ভিসার (𝐒𝐮𝐛𝐜𝐥𝐚𝐬𝐬 𝟓𝟎𝟎) জন্য এভিডেন্স লেভেল (𝐄𝐯𝐢𝐝𝐞𝐧𝐜𝐞 𝐋𝐞𝐯𝐞𝐥𝐬) আপডেট করে। আর ২০২৬-এর এই নতুন আপডেটে বাংলাদেশি স্টুডেন্টদের জন্য বিশাল একটা ব্রেক থ্রু এসেছে!
Sign up our newsletter to get update information, news and free insight.