☎️ Request a Callback
×

নিউ জিল্যান্ড কেনো এখন বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের হাইয়ার এডুকেশন এর জন্য দারুণ একটি গন্তব্য?

Table of Contents

নিউ জিল্যান্ড কেনো এখন বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের হাইয়ার এডুকেশন এর জন্য দারুণ একটি গন্তব্য?

বিদেশে পড়াশোনার স্বপ্ন দেখলে আগে যে কয়েকটি দেশের কথা সবার মাথায় আসে, সে লিস্টে এখন দারুণ পপুলার নিউ জিল্যান্ড। বেশ কিছু সুবিধা একত্রে পাওয়া যাচ্ছে এখানে, যা বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের জন্য এটিকে পারফেক্ট ডেস্টিনেশন করে তুলেছে।

১. সহজ PR অপরচুনিটি

প্রথমত, পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি (PR) পাওয়ার সুযোগ নিউ জিল্যান্ডে তুলনামূলকভাবে সহজ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পড়াশোনা শেষে ১-৩ বছরের পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসা দেওয়া হয়, যা দিয়ে ফুল-টাইম কাজ করে খুব সহজেই পয়েন্ট ভিত্তিক PR অ্যাপ্লাই করার সুযোগ থাকে। বিশেষ করে আইটি, বিজনেস, হেলথ, ইঞ্জিনিয়ারিং, কার্পেন্ট্রি, কুকারি ও হসপিটালিটি সেক্টরে দক্ষ জনবলের উচ্চ চাহিদা থাকায় দ্রুত স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

২. জব অপরচুনিটি

এখন পর্যন্ত নিউ জিল্যান্ডে জব অনুপাতে এপলিকেন্ট এর সংখ্যা কম। কাজ আছে, কিন্তু মানুষ নাই। যেকারনে এখানে জব ক্রাইসিস বলে কিছু নেই। সবাই নিজ পছন্দমতো সেক্টরে কাজ খুঁজে নিচ্ছে এবং ভালো স্যালারি পাচ্ছে। কাজ এবং পেমেন্ট সিকিউরিটির ক্ষেত্রে এই দেশ উপরের দিকে থাকবে।

৩. লো টিউশন ফি

দ্বিতীয়ত, টিউশন ফি অন্যান্য দেশের চেয়ে তুলনামূলক কম, বছরে গড়ে ১৫,০০০ থেকে ২২,০০০ নিউজিল্যান্ড ডলার এর মধ্যেই বেশিরভাগ ডিপ্লোমা ও ব্যাচেলর প্রোগ্রাম করা যায়। এমনকি কিছু পলিটেকনিক ও ইনস্টিটিউট-এ খরচ আরও কম। পাশাপাশি পার্ট-টাইম জবের সুযোগ প্রচুর, ঘণ্টাপ্রতি আয় ২২-২৫ NZ Dollar হওয়ায় নিজের লাইভিং এক্সপেন্স নিজেই কভার করা সম্ভব।

৪. লো একাডেমিক ও ইংলিশ রিকোয়ারমেন্ট

অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই 5.5 বা 6.0 IELTS স্কোর নিয়েই ডিপ্লোমা বা ব্যাচেলর প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া যায়। PTE 50 থেকে শুরু। এমনকি মাঝারি মানের একাডেমিক রেজাল্ট থাকলেও নিউ জিল্যান্ডে সুযোগ পাওয়া সম্ভব, যা অস্ট্রেলিয়া, কানাডা বা যুক্তরাজ্যের তুলনায় অনেক সহজ।

জনপ্রিয় ও বিশ্বমানের নিউ জিল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটগুলো –

University of Auckland

University of Otago

Auckland University of Technology (AUT)

Massey University

Victoria University of Wellington

University of Waikato

এছাড়া হ্যান্ডস-অন ও স্কিল-বেইজড কোর্সের জন্য স্টুডেন্টদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় কিছু ইনস্টিটিউট এবং পলিটেকনিক কলেজ –

Ara Institute of Canterbury

Toi Ohomai Institute of Technology

Nelson Marlborough Institute (NMIT)

Wintec

UB College

সব মিলিয়ে লো কস্ট, লো রিকোয়ারমেন্ট, জব অপশন এবং সহজ PR সুযোগ, এই চারটি কারণে নিউ জিল্যান্ড এখন বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের জন্য সবচেয়ে প্রমিসিং স্টাডি ডেস্টিনেশনগুলোর একটি হিসেবে উঠে আসছে। যারা নিরাপদ, শান্ত এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য স্ট্যাবল একটি দেশ খুঁজছেন, নিউ জিল্যান্ড তাদের জন্য হতে পারে পারফেক্ট চয়েস।

Share this :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Latest Post

অস্ট্রেলিয়ান সরকার প্রতি বছর স্টুডেন্ট ভিসার (𝐒𝐮𝐛𝐜𝐥𝐚𝐬𝐬 𝟓𝟎𝟎) জন্য এভিডেন্স লেভেল (𝐄𝐯𝐢𝐝𝐞𝐧𝐜𝐞 𝐋𝐞𝐯𝐞𝐥𝐬) আপডেট করে। আর ২০২৬-এর এই নতুন আপডেটে বাংলাদেশি স্টুডেন্টদের জন্য বিশাল একটা ব্রেক থ্রু এসেছে!
Sign up our newsletter to get update information, news and free insight.