☎️ Request a Callback
×

IELTS করা কেন প্রয়োজন? কোন দেশে কিরকম আইইএলটিএস লাগে তার ধারনা।

Table of Contents

IELTS করা কেন প্রয়োজন? কোন দেশে কিরকম আইইএলটিএস লাগে তার ধারনা।

আইইএলটিএস স্কোরের মাধ্যমে আপনি বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পেতে পারেন। এটি আন্তর্জাতিকভাবে ইংরেজি ভাষার দক্ষতার একটি নির্ভরযোগ্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত। যেমন – কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় আইইএলটিএস স্কোরকে ভর্তির প্রধান শর্ত হিসেবে রাখে। এটি আপনার শিক্ষাজীবনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পথ খুলে দেয়।

বিশ্বের অনেক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে আইইএলটিএস স্কোরকে চাকরির যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একটি ভালো আইইএলটিএস স্কোর থাকলে আপনার ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতা প্রমাণিত হয়, যা আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে আপনার অবস্থানকে মজবুত করে। এটি আপনার পেশাগত জীবনে নতুন দুয়ার খুলে দেয় এবং বিদেশে ভালো বেতনের চাকরির সুযোগ তৈরি করতে পারে।

যারা স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বিদেশে যেতে চান, তাদের জন্য আইইএলটিএস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের মতো অনেক দেশ অভিবাসন আবেদনের ক্ষেত্রে আইইএলটিএস স্কোরকে একটি আবশ্যিক যোগ্যতা হিসেবে গণ্য করে। এটি প্রমাণ করে যে আপনি সেই দেশে বসবাস ও কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় ইংরেজি ভাষা জানেন।

১। জার্মানি: জার্মানির অনেক ভার্সিটি তে মাস্টার্স এ MOI দিয়ে আবেদন করা যায়। তবে ভিসার জন্য ৫.৫ মিনিমাম থাকতে হয়। 

২। পোল্যান্ডঃ ভিসা পেতে চাইলে অন্তত ৬.০ রাখুন। এমনিতেই পোল্যান্ড এমবাসি বাংলাদেশীদের ভিসা কম ইস্যু করে।

৩। চায়না : ৯০% ভার্সিটিতে আইইএলটিএস লাগে না। তবে টপ ভার্সিটি গুলো ৭.০ চায়।

৪। ভারত: আইইএলটিএস লাগবে না।

৫। জাপান: মিনিমাম ৫.৫ চায়।

৬। দঃ কোরিয়া: ৫.৫ থাকলে চলবে। তবে আইইএলটিএস স্কোর ভালো থাকলে ফান্ড পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৭। ডেনমার্ক: মিনিমাম ৬.৫ লাগবে।

৮। নরওয়ে: ৬.৫ তবে কিছু কিছু ভার্সিটির কিছু কিছু প্রোগ্রামে ৬.০ থাকলে আবেদন করা যায়।

৯। নেদারল্যান্ডস: মাস্টার্সের জন্য ৬.৫ থাকতে হবে।

১০। কানাডা: ৬.৫

১১। ইংল্যান্ড: ৬.০ 

১২। ফিনল্যান্ড: মাস্টার্সের জন্য বেশির ভাগ ভার্সিটি ৬.৫ চায়।

১৩। থাইল্যান্ড: ৫.০, কিছু ভার্সিটি তে অবশ্য আইইএলটিএস লাগে না।

১৪। ফ্রান্স: ৬.০-৬.৫ (ভার্সিটির উপর নির্ভরশীল)

১৫। আমেরিকা: ফান্ড পেতে গেলে আইইএলটিএস স্কোর ৬.৫ এর বা তার উপরে রাখা উচিৎ। সেইসাথে GRE 310+

১৬। হাঙ্গেরি: ৫.৫

১৭। পর্তুগাল: ৫.৫ ।

১৮। অস্ট্রেলিয়া: ৬.৫

১৯। স্পেন: ৬.০-৬.৫

২০। ইউক্রেন: লাগবে না।

২১। ইতালি : ৬.০ লাগবে মিনিমাম এমবাসি ফেস করতে।

২২। সাইপ্রাস : ৪.৫-৫.৫

উপরের স্কোরগুলো আপনাদেরকে সাধারন ধারনা দিবে। কিন্তু ভার্সিটির উপর ভিত্তি করে স্কোরগুলো কম বেশি হতে পারে। 

Share this :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Latest Post

অস্ট্রেলিয়ান সরকার প্রতি বছর স্টুডেন্ট ভিসার (𝐒𝐮𝐛𝐜𝐥𝐚𝐬𝐬 𝟓𝟎𝟎) জন্য এভিডেন্স লেভেল (𝐄𝐯𝐢𝐝𝐞𝐧𝐜𝐞 𝐋𝐞𝐯𝐞𝐥𝐬) আপডেট করে। আর ২০২৬-এর এই নতুন আপডেটে বাংলাদেশি স্টুডেন্টদের জন্য বিশাল একটা ব্রেক থ্রু এসেছে!
Sign up our newsletter to get update information, news and free insight.