Book Appointment Now

রিপোর্টিং বা রেজিষ্ট্রেশন: একটা দেশে যাওয়ার পর প্রয়োজনীয় রিপোর্টিং বা রেজিস্ট্রেশন গুলো শেষ করতে হবে। সেক্ষেত্রে যাওয়ার পর ভার্সিটিকে বা কোর্স কোঅরডিনেটরকে জানাতে হবে আপনি পৌঁছেছেন। কিছু দেশে বা শহরে লোকাল পুলিশ স্টেশনে রিপোর্ট করতে হয়। সেক্ষেত্রে গিয়ে যতদূর সম্ভব লোকাল পুলিশ স্টেশনকে রিপোর্ট করবেন।
রেসিডেন্স কার্ডের জন্য আবেদন: সাধারণ আমরা এমবাসি থেকে যে ভিসাটা পাই এটার মেয়াদ থাকে এক থেকে তিন মাস যেমন নরওয়েরটাই। নরওয়েতে গিয়ে নতুন করে এক বছরের রেসিডেন্স কার্ডের জন্য আবেদন করতে হয়। এটা যতদূর সম্ভব গিয়ে করে ফেলা উচিৎ।
ব্যাংক একাউন্ট: দেশের বাহিরে ব্যাংক একাউন্ট ছাড়া চলা কষ্ট। গিয়ে চেষ্টা করবেন ভালো একটা ব্যাংকে পারসোনাল একটা একাউন্ট করে ফেলতে।
পার্ট-টাইম জব: ফুল ফান্ড না পাইলে প্রায় সবারই পার্ট-টাইম জব করাই লাগে। যদি বাপের অডেল টাকা থাকে সেটা আলাদা হিসেব। গিয়ে একটু স্যাটেল হয়েই পার্ট-টাইম জব খুঁজবেন। একটা সাজেশন থাকবে ইন্ডিয়ান, পাকিস্তান, বাংলাদেশী রেসটুরেন্ট, সুপারশপ এভয়েড করার।
লেখাপড়া: যেহেতু স্টাডি পার্মিটে গেছেন লেখাপড়াটা ঠিক মত করা উচিত। বাহিরের একটা ডিগ্রি থাকলে অনেক কিছুই করা যায়।
টাইম ম্যানেজমেন্ট: এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি টাইম ম্যানেজমেন্ট করতে না পারলে দেশের বাহিরে ভালো করে পারবেন না। বিদেশে প্রতি ঘন্টার একটা মূল্য আছে। কোথায় কতটুকু সময় দিবেন এটা আপনার বুঝে নিতে হবে।
পরিবার: বিদেশে যাওয়ার পর অনেকে একাকিত্বে ভুগে। সবারই উচিৎ কম-বেশি পরিবারের সাথে কানেক্টেড থাকা।
