Book Appointment Now
Table of Contents
স্কলারশিপ পেতে কেমন প্রোফাইল লাগে?
একাডেমির রেজাল্ট:
একটা স্টুডেন্ট কোন স্কলারশিপের জন্য বিবেচিত হবে কি না তার অনেকটাই নির্ভর করে একাডেমিক রেজাল্টের উপর। ব্যাচেলর লেভেলের স্কলারশিপের জন্য এসএসসি, এইচএসসি, মাস্টার্স লেভেলের জন্য ব্যাচেলর এবং পিএইচডি লেভেলের জন্য মাস্টার্সের রেজাল্ট গুরুত্বপূর্ণ। আপনার যদি মিনিমাম ৮০% বা জিপিএ না থাকে স্কলারশিপ পাওয়া কঠিন হবে।
আইইএলটিএস:
কিছু কিছু স্কলারশিপের মিনিমাম আইইএলটিএস স্কোরের কথা লেখা থাকে। অনেক স্কলারশিপে এ বিষয়ে কিছু লেখেই নি। আপনার উচিৎ ভালো একটা স্কোর টার্গেট করে আগানো। স্কলারশিপ পেতে হবে এমন কোন কন্ডিশন থাকলে ৭.০+ রাখার চেষ্টা করুণ।
পাবলিকেশন:
পাবলিকেশন সাধারণত মাস্টার্স এবং পিএইচডি লেভেলের স্কলারশিপের জন্য লাগে। বেশির ভাগ জায়গায় এটা অপশনাল কিন্তু মজার ব্যাপার হলো আপনার ভালো একটা পেপার থাকলে স্কলারশিপ পাওয়ার হার বহু গুনে বেড়ে যাবে।
জব এক্সপেরিয়েন্স:
সাবজেক্ট রিলেটেড জব এক্সপেরিয়েন্স থাকলে স্কলারশিপ পাওয়ার ক্ষেতে বেশ কাজে দেয়। অনেক স্কলারশিপের জন্য মিনিমাম দুই বছরের জব এক্সপেরিয়েন্স লাগে এই ধরেন DAAD, SI Scholarship ইত্যাদি।
সিভি, মোটিভেশনাল লেটার, রিকমেন্ডেশন লেটার:
এই তিনটি ডকুমেন্টস ও খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। স্কলারশিপ কমিটি আপনার মোটিভেশন দেখতে চাবে কেন আপনার স্কলারশিপ দরকার, কেন ঐ সাবজেক্টে পড়তে চান, পড়া শেষে কি প্লান, এগুলো সুন্দর করে মোটিভেশন লেটারে না লিখলে স্কলারশিপ পাওয়া কঠিন। এছাড়াও রিকমেন্ডেশন ও বড় ভূমিকা পালন করে।




